পাশ্চাত্যের ভোগবাদীরা সীমাহীন আনন্দ উল্লাস এবং অবৈধ ফূর্তির লক্ষ্যে নানারকম পন্থা, আজগুবী নিয়ম-নীতি এবং কল্পনাতীত এমন সব পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে যা মানব সভ্যতাকে ধ্বংশের দিকে ঠেলে দিয়েছে। বিশেষ করে পারিবারিক জীবনে যে অধঃপতন দেখা দিয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ইউরোপ আমেরিকা আজ পারিবারিক জীবনকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। তারা যখন এটা উপলব্ধি করতে পেরেছে যে, তাদের পারিবারিক জীবন ফিরিয়ে আনা আদৌ সম্ভবপর নয়, তখন তারা বিশ্বব্যাপী পারিবারিক জীবন ধ্বংস করার নিমিত্তে উঠে পরে লেগেছে। আর এর জন্য চয়ন করা হয়েছে বিনোদনের নামে চরিত্রহীনকর সকল কর্মকান্ড। পশ্চিমা বিশ্ব যেসব কারণে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সেই বিষয়গুলিকে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর উপর চাপিয়ে ‡`য়vর পায়তারা চালাচ্ছে। আর এর সাথে তাদের পুঁজিবাদী ব্যবসায়িক স্বার্থও নিহিত রয়েছে। পোপ জনপল আমেরিকার এক সম্মেলনে তাদেরকে মানসিক প্রশান্তির লক্ষ্যে পারিবারিক জীবনের দিকে ফিরে আmvর আহ্বান জানান। কিন্তু বাঁধভাঙ্গা জোয়ার কি আর কোনো বাধা মানে। পুঁজিবাদীরা এতটাই বেপরোয়া হয়ে কাজ করছে যে, চিত্তবিনোদনের নামে সুগঠিত মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতেও বিনা বাধায় কাজ করে যাচ্ছে। আর মুসলমানেরা তাদের আত্ম-প্রশান্তির জন্য ধারাবাহিকভাবে তা লুফে নিচ্ছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে সুন্দরী প্রতিযোগীতা, নববর্ষ পালন, মডেলিং প্রতিযোগীতা, ভ্যালেনটাইন ডে পালন, পতিতা বৃত্তির উৎসাহ দান, নায়ক-নায়িকাদের ওপেন কনসার্ট, মিস বাংলাদেশ প্রতিযোগীতাসহ ইত্যাকার জঘন্ন বিষয়, যেগুলো অবলোকনে শয়তানেরও হাসি পায়। বিনোদনের নামে এসব কি হচ্ছে? আমরা এর ধারাবাহিকভাবে আলোচনা করার প্রয়াস পাব ইনশাআল্লাহ্।
—চলমান