প্রশ্ন: যদি কোনো ব্যক্তি নিজস্ব কোনো পশু কুরবানী করার নিয়ত করে অথবা পশু ক্রয় করার সময় কুরবানীর নিয়ত ছিল না। কিন্তু ক্রয় করার পর কুরবানীর নিয়ত করেছে, অতঃপর অসুস্থ বা অন্য কোনো কারণে উক্ত পশু বিক্রি করে ফেলে, তাহলে কি এখন উক্ত ব্যক্তিকে এর বদলে দ্বিতীয় আরেকটি পশু কুরবানী করতে হবে?
উত্তর: প্রশ্নে বর্ণিত সূরতে উক্ত ব্যক্তির কুরবানী করার নিয়তের কারণে কুরবানী ওয়াজিব হয় নি। কারণ, শুধু নিয়তের দ্বারা কোনো কিছু ওয়াজিব হয় না। হ্যাঁ তার উপর যদি পূর্ব থেকেই কুরবানী ওয়াজিব হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ওয়াজিব কুরবানী করতে হবে।(সেটা যে কোন পশু হতে পারে নিয়তকৃত পশু হোক বা অন্য কোনো পশু)
বি.দ্র. প্রশ্নোক্ত সূরত তথা যদি কোনো ব্যক্তি নিজস্ব কোনো পশু কুরবানী করার নিয়ত করে অথবা পশু ক্রয় করার সময় কুরবানীর নিয়ত ছিল না। কিন্তু ক্রয় করার পর কুরবানীর নিয়ত করেছে, অতপর পশুটি গর্ভবতী কিংবা অন্য কোন কারণে পরিবর্তন করতে চাইলে করতে পারবে।( চাই উক্ত ব্যক্তি ধনী হোক কিংবা গরীব)
(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া, খ.৫,পৃ.৩৪০, ফাতাওয়ায়ে রহীমিয়া খ.২,পৃ.২৮৪,)
(৫/ ২৯৪) :الفتاوى الهندية
إذا اشترى شاة بغير نية الأضحية، ثم نوى الأضحية بعد الشراء لم يذكر هذا في ظاهر الرواية، وروى الحسن عن أبي حنيفة – رحمه الله تعالى – أنها لا تصير أضحية حتى لو باعها يجوز بيعها وبه نأخذ، فأما إذا اشترى شاة، ثم أوجبها أضحية بلسانه وهو الوجه الثالث تصير أضحية في قولهم، كذا في فتاوى قاضي خان.