[এক] সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী আল্লাহ্ তা‘আলা মানবজাতির কল্যাণে ও সত্য পথ প্রদর্শনের জন্য যুগে যুগে নবী ও রাসূলগণকে এ ধরায় পাঠিয়েছেন। সর্বশেষ যখন হযরত ঈসা (আঃ) উম্মতকে রেখে উর্ধ্বলোকে উত্থিত হন,তখন উম্মত নিজেদের গন্তব্য ভুলে নবীদের পথ-নির্দেশ বিস্মৃত হয়ে সম্পূর্ণরূপে দুনিয়ামুখী হয়ে পড়ে। জাহিলিয়্যাতের মেঘে ঢেকে যায় সত্যের সূর্য। আধাঁরে ছেয়ে যায় পৃথিবী। অনাচার-অবিচার পরিণত হয়…
নবর্বষ উদযাপন
ধর্মহীন ভোগবাদীদের সীমাহীন আমোদ ফূর্তির আরেকটি প্রকার হলো নববর্ষ অনুষ্ঠান উদযাপন। আর এর প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে মেলা। একসময় গ্রামীন মানুষের জীবন ছিল বদ্ধ। বিশেষ করে বাড়ির ঝি-বউদের খেটে খাওয়া জীবনের বাইরে বের হওয়া বা আমোদফূর্তির সুযোগ ছিল সীমিত। সেটা কারো মধ্যে কাজ করত নিতান্তই সামাজিকতা হিসেবে। আর কেও কেও তা ধর্মের খাতিরেই আপন করে নিয়েছিল। সুতরাং…
11
Sep
2021ভ্যালেনটাইন ডে বা ভালবাসা দিবস
দুনিয়াটা মস্ত বড়। খাও-দাও ফুর্তি কর। চিত্তের সন্তোষ সাধনের লক্ষ্যে আজ মুসলমানরাও যেন এই বাক্যটির যথাযথ মর্যাদা ? দিয়ে চলেছে। প্রাণীজগতের জীবনযাপন আমরা লক্ষ্য করি তাদের সারাদিনে রুটনি সাজানো হয়েছে এভাবে যে, তারা দিনের সিংহভাগ সময় খাওয়া-দাওয়াতে কাটাবে। বাকী সময়টুকু কাজের জন্তু হলে মুনিব তার দ্বারা পার্থিব কিছু কাজ করিয়ে নিবে। আর যদি কাজেi না হয়…
সুন্দরী প্রতিযোগীতা
ভোগবাদী লম্পটেরা তাদের কামভাব চরিতার্থের হীন মানসে যে সকল অপকৌশল অবলম্বন করেছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সুন্দরী প্রতিযোগীতা। আজ থেকে প্রায় সত্তর বছর পূর্বে ১৯৫১ সালে ১ম অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগীতা। অন্ধ অনুকরণের মত অনেক রাষ্ট্রই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে শুরু করল| বাদ যায়নি আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতও। ১৯৯৬ সালের ২৩শে নভেম্বর দক্ষিণ ভারতের একটি প্রদেশ…
ইসলামে চিত্তবিনোদন ও খেলাধুলা
ভূমিকা সমস্ত প্রশংসা মহান বাব্বুল আলামীনের যিনি ইসলামের নির্দেশনা অনুযায়ী চলাকে মানুষের জন্য অনুকূল করেছেন। দরুদ ও সালাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি যিনি বিধি বিধানকে খুলে খুলে বর্ণনা করেছেন। আর নববী শানের খেলাফ নয় এমন সবই বাস্তবে করে দেখিয়েছেন। পরিপূর্ণ রহমত বর্ষিত হোক আহলে বাইত ও সত্যের মাপকাঠি সাহাবায়ে কেরামগণের উপর যাদের কুরবানী ও ত্যাগের…
20
Aug
2021কারবালা : প্রতিরোধের প্রথম দৃষ্টান্ত
আল্লামা সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী [১৫ মুহাররম ১৪১২ হি. মোতাবেক ২৮ জুলাই ১৯৯১ ঈ. লক্ষ্ণৌর মাওলানা আব্দুস শাকুর হলে দেওয়া দীর্ঘ ভাষণের একটি অংশ এ লেখাটি। ভাষণটিতে যুক্তিপূর্ণ বিশ্লেষণে খেলাফতে রাশেদার ধারাবাহিকতা এবং হযরত হাসান ও হোসাইন রাযি.-এর পদক্ষেপসমূহের সঠিকতা তুলে ধরা হয়েছে। পুস্তিকাকারে প্রকাশিত ওই ভাষণের ২৯ থেকে ৩৬ পৃষ্ঠার অনুবাদ এখানে পেশ করা…
10
Aug
2021একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: মুহাররমের প্রথম দশ দিন রোজা রাখার ফযীলত
বার চান্দের ফযীলত শিরোনামের বেশ কিছু পুস্তিকায় মুহাররম মাসের প্রথম দশ দিন রোযা রাখার ফযীলত উল্লেখ করা হয়েছে। একটি পুস্তিকার ভাষায়- “হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, যে ব্যক্তি মহররমের প্রথম দশ দিন রোযা রাখে, সে দশ হাজার বছর যাবৎ দিনে রোযা ও রাত্রে ইবাদতের নেকী পাবে।” এটি একটি ভিত্তিহীন বানোয়াট বর্ণনা। জাল বর্ণনা বিষয়ক কিতাবেও…